নিজাম হাজারীর মামলার রায় ২৮ নভেম্বর

0
120

নিউজ ডেস্ক :: ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারীর সংসদ সদস্য পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হওয়া মামলার রায় ফের পিছিয়েছে। আজ মঙ্গলবার এই মামলার রায়ের দিন ধার্য থাকলেও সংশ্লিষ্ট আইন ও সার্কুলারে সাজার রেয়াত গণনা সম্পর্কে নিজাম হাজারীর আইনজীবীদের কাছে জানতে চেয়েছেন আদালত। তাই এ দিন রায় ঘোষণা না করে বিচারপতি বিচারপতি মো. এমদাদুল হক ও বিচারপতি এ এফ এম নাজমুল আহসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রেয়াত বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২৮ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। আদালতে নিজাম হাজারীর পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও নুরুল ইসলাম সুজন এমপি। অপরদিকে রিটকারীর পক্ষে ছিলেন কামরুল হক সিদ্দিকী।

এর আগে গত ১৪ নভেম্বর এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে দ্বিতীয় দফায় ২২ নভেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্টের একই বেঞ্চ। গত ৩০ অক্টোবর নিজাম হাজারীর এমপি পদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের রায় ঘোষণা শুরু করেন হাইকোর্ট। তবে পরদিন ৩১ অক্টোবর কারাগারে থাকা অবস্থায় নিজাম হাজারী ১৩ বার রক্ত দিয়েছেন মর্মে স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন সন্ধানীর একটি সার্টিফিকেট তার আইনজীবীরা হাইকোর্টে দাখিল করেন। তাদের দাবি রক্ত দেওয়ায় নিজাম হাজারী ৪৮৬ দিন সাজা রেয়াত পান।

ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, আড়াই বছর সাজা কম খেটে বেরিয়ে যান সাংসদ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে দেশের শীর্ষ একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন ছাপা হয়৷ এতে বলা হয়, ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট অস্ত্র আইনের এক মামলায় নিজাম হাজারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু ২ বছর ১০ মাস কম সাজা খেটে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। পরে ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভূঁইয়া।

আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁর মুক্তিলাভের পর ৫ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।

সে হিসেবে নিজাম হাজারী ২০১৫ সালের আগে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য ছিলেন না। অথচ তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য হয়েছেন। সেই রিটের প্রেক্ষিতে আদালত পরে রুল জারি করেন। সেই রুলের শুনানি শেষেই নতুন করে রায়র এই তারিখ নির্ধারণ করা হলো।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে