কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যাঃ শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন, ব্যানার কেড়ে নিল ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা

0
319
https://www.noakhalitimes.com

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি ::নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বাংলাদেশ প্রথামিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির মানববন্ধন। ব্যানার ছিনিয়ে নিল সন্ত্রাসী কায়দায় ক্যাড়াররা। এ ঘটনা ঘটে আজ বিকাল সাড়ে ৪টায় উপজেলা পরিষদ এর সামনের সড়ক থেকে। এতে শিক্ষকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

জানাগেছে, বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও পশ্চিম মোহাম্মদ নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফয়েজ আহমেদকে গত ১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ৭টায় বসুরহাট এস.এম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মফিজুল আলম এবং বিরাহীমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: সাহিদ খোকন এর নেতৃত্ব সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে। এর প্রতিবাদে আজ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় উপজেলা পরিষদ এর সামনের সড়কে বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ও উপজেলা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষক বৃন্দের উপস্থিতিতে এক শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে। এ সময়ে মফিজুল আলম ও সাহিদ খোকনের ভাড়াটিয়া লোকজন এসে তাদের মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের হাত থেকে ব্যানারটি ছিনিয়ে নেয়। অপরদিকে মানববন্ধনের মাইকটিও ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকদের প্রতিবাদের মুখে তারা মাইকটি ছিনিয়ে নিতে ব্যর্থ হয়। এতে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মাঝে আরো ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

এ ন্যক্কার জনক হামালা ও ব্যানার ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন শেষে বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সিমিতি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি সাহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি রাজেশ পান্না মজুমদার, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সম্পাদক আবদুল কাদের, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম, ফরিদ আহম্মেদ, গোলাম ছারোয়ার, কবিরহাট উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি নুরুল করিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রথমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শিপন, কামরুজ্জামান ও মিজানুর রহমান সেলী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দরা বলেন, আজ আমরা প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে পেলছি। শিক্ষক নামে মফিজুল আলম ও সাহিদ খোকন শিক্ষকতা পেশায় থেকে এ ন্যক্কারজনক ঘটনাগুলো ঘটাতে পারেন না। তারা আজ সন্ত্রাসী ও গুন্ডার ভূমিকা বেঁচে নিয়েছে। তাদের এ কর্মকান্ডে শিক্ষক সমাজ লজ্জিত। এতে শিক্ষক সমাজের মাঝে তাদের এ ন্যক্কারজনক কর্মকান্ডে ক্ষোভ ও বিক্ষোভ ফুঁষে উঠেছে। শিক্ষক সমাজ আজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানান।

এ ব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: ইলিয়াছ বলেন, আমি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ১৫ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। তদন্তের সত্যতা পেলে দোষিদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে