লক্ষীপুরে কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে ৯লাখ টাকার মাছ লুটের অভিযোগ

0
119

লক্ষীপুর সংবাদদাতা :: লক্ষ্মীপুরে কোস্ট গার্ডের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ লাখ টাকার মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ করেছেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা। তারা বলেন, জাটকা অজুহাত দেখিয়ে তারা ১২টি ঝুড়িতে থাকা বড় আকারের ইলিশ, পাঙ্গাস, আইর, পোয়া এবং চিড়িং মাছ হাতিয়ে নেন। মেঘনা নদীতে যেসব জেলে মাছ ধরেন তারা এবং মাছ ব্যবসায়ীরা কোস্ট গার্ডকে নিয়মিত মাসোহারা না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়।

আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন লক্ষ্মীপুর মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নেতারা। এ সময় মৎস্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ প্রদান ও জড়িত কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, সদর উপজেলার চররুহিতাসহ বিভিন্ন গ্রামের আবদুর রব, ইউসুফ, আবুল কাশেম এবং আবদুল গফুরসহ আটজন মাছ ব্যবসায়ী গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় কমলনগরের মতিরহাট থেকে ৯ লাখ টাকার মূল্যের ১২ ঝুড়ি মাছ নিয়ে মজু চৌধুরীর হাটে আসছিলেন। এ সময় মজু চৌধুরী হাটের বেড়িবাঁধের ওপর মসজিদের সামনে পৌঁছালে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদের গতিরোধ করেন। তারা জাটকার অজুহাত দেখিয়ে সব মাছ রেখে দেন। একপর্যায়ে পল্টুনে নিয়ে বড় সাইজের মাছগুলো আলাদা করে সরিয়ে ফেলেন তারা। অন্য কোনো স্থান থেকে কিছু ছোট মাছ সংগ্রহ করে তারা জেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দেন। পরে ওই ছোট মাছগুলো নিরীহ লোকজনের মাঝে বিতরণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহসভাপতি মনির হোসেন মাঝি, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবি, সদস্য আবুল কাশেমসহ ১৪-১৫ জন জেলে এবং মৎস্য ব্যবসায়ী। এ বিষয়ে কোস্ট গার্ড লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাট ক্যাম্পের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার এনামুল হক চৌধুরী বলেন, “অবৈধ ৪০ মণ জাটকা জব্দ করা হয়েছে। সেখানে দু-একটি অন্য প্রজাতির মাছও ছিল। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মাছগুলো এতিমখানায় ও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়। অন্য সব অভিযোগ মিথ্যা।”

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে