লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ১০ নেতার কারাদণ্ড

0
115

লক্ষীপুর সংবাদদাতা :: লক্ষ্মীপুরে এক ছাত্রলীগ নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাসসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের দশ নেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ‌বুধবার দুপুর ১টার দিকে লক্ষ্মীপুর চিফ জুডিশিয়াল আদালতের বিচারক মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী এ রায় দেন।

এদিকে, এ রায় ঘোষণার পর বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তারা শহরের ফায়ার সার্ভিস এলাকা, ঝুমুর সিনেমা হল, মাদাম জিরো পয়েন্ট এবং বাগবাড়ি এলাকায় ঘণ্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে। এ সময় রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ও ইটপাটকেল ফেলা হয়। নেতাকর্মীরা সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ করে। পরে পুলিশ অবরোধ তুলে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।

আসামিদের মধ্যে জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি কেএম বাপ্পি কবির (পালসার বাপ্পি), সাধারণ সম্পাদক মো. রাকিব হোসেন লোটাস ও যুবলীগ নেতা এহতেশাম হায়দর বাপ্পিকে পাঁচ বছর করে,  ছাত্রলীগ নেতা মো. জুয়েল, সজিব, মিরাজকে এক বছর করে এবং জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল, যুবলীগ নেতা ওমর ফারুক মানিক, রকি, রূপমকে এক মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ রায়ে ছাত্রলীগ নেতা ইমন ও মাসুদকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। রায়ের সময় আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে একই আদালত থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেলসহ এক মাস করে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত চার নেতা জামিনে মুক্তি নেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী রাসেল মাহমুদ মান্না জানান, এ রায়ে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। মামলার এজাহার ও আদালত সূত্র জানায়, ২০১০ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর শহরের আলিয়া মাদ্রাসা এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের বর্তমান সহসভাপতি আশরাফুল আলমকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন আসামিরা। ওই  ঘটনায় পরদিন ৬ সেপ্টেম্বর আহতের বাবা অ্যাডভোকেট মো. বদরুল আলম বাদী হয়ে ১৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে পুলিশ ১২ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে