সামাজিক ভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন ও অর্থ আদায়ের জন্য সংবাদ সম্মেলন করে এই মিথ্যাচার- ইকবাল বাহার চৌধুরী

0
143
https://www.noakhalitimes.com

সোহরাব হোসেন বাবর :: গত ২২ জুন শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাবে রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল বাহার চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, আমাকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন, সুনাম ক্ষুন্ন ও অর্থ আদায়ের জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এই সংবাদ সম্মেলন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ সম্মেলনের খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর জানতে চাইলে ইকবাল বাহার চৌধুরী এই প্রতিবেদককে বলেন, দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটানোর পর ২০১১ সালে ওপেন হার্ট সার্জারী করার পর আমি দেশে আসি। নির্বাচন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। আমার পরিবারবর্গ প্রবাসে থাকে। দেশের বাড়ীতে আমি একা থাকি। রাতে অসুস্থ্য হলে যে আমাকে একগ্লাস পানি খাওয়াবে এমন লোকও নেই। অসুস্থ্যতা ও আমার দেখ-ভালের জন্য আমার শুভাকাঙ্খী ও বন্ধু-বান্ধবের পরামর্শে দ্বিতীয় বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিই। এ খবর জানতে পেরে রামপুর ইউপির সংরক্ষিত ৭,৮,৯ ওয়ার্ডের মহিলা মেম্বার প্ররোচনা ও চল-চাতুরীর আশ্রয় নিয়ে তার বোনের মেয়ের সাথে তড়িঘড়ি করে বিবাহ সম্পন্ন করে। মেয়েটিকে দেখে আমিও ভাবি, যার একটি বিয়ে ভেঙে গেছে। অসহায় একটি মেয়েকে সামাজিক মর্যাদা প্রদান করা হবে এবং মেয়ের সাথে বয়সের দিকে আমার এডযাষ্ট হবে চিন্তা করে ২২/০১/২০১৮ তারিখে বিবাহ সম্পন্ন করি। বিয়ের পর দেখা যায়, মেয়েটি মৃগি রোগে আক্রান্ত এবং একরকম প্রতিবন্ধীর মত। সেবা-সশ্রুশার জন্য বিয়ে করে বুঝতে পারলাম তাকে নিয়েই আমাকে ব্যস্ত থাকতে হবে। সবসময় একটা মানষিক যন্ত্রনায় থাকতে হবে। তাই আমি আইনগতভাবে তালাক প্রদান করি। বিয়ের পর মেয়ের খালা ইউপি মেম্বার জানিয়া আক্তার আমার নিকট থেকে ২লক্ষ ১০হাজার টাকা এবং মেয়ের মামা ২ লক্ষ টাকা হাওলাত নেয়। টাকা এখনো পরিষোধ করে নাই। আইনগতভাবে কাবিননামা অনুযায়ী তার দাবী-দাওয়া প্রদান করতে আমি প্রস্তুত।

ইকবাল বাহার চৌধুরী আরও বলেন, সংবাদ সম্মেলনে যেসব অভিযোগ করে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। অভিযোগে বলা হয়, আমি আমার প্রথম স্ত্রীর কথা গোপন করেছি কিন্তু মেয়ের খালা সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার আমার সবকিছু জানে এবং তাকে আমি অবহিত করেছি। আমার পরিষদের ২জন মেম্বার মেয়ের খালা সংরক্ষিত ইউপি মেম্বার জানিয়া আক্তারের সাথে বৈঠক বসে বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য। হাওলাত কৃত টাকা এডজাষ্ট করে কাবিননামা অনুযায়ী সমাধানের প্রস্তাব দিলে তারা তা প্রত্যাখান করে বিভিন্ন জনের প্ররোচনায় সংবাদ সম্মেলন করে যা আমাকে সামাজিকভাবে হেয়-প্রতিপন্ন করে আমার সুনাম নষ্ট করাই একমাত্র উদ্দেশ্য। আমি যা করেছি আইন অনুযায়ী করেছি। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে