লক্ষীপুরে বিয়েতে রাজি না হওয়ায় স্কুলশিক্ষিকা ও বাবাকে মারধর

0
339
https://www.noakhalitimes.com

লক্ষীপুর সংবাদদাতা :: লক্ষ্মীপুরে বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় স্কুলশিক্ষিকা খাদিজা খানমকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে। এ সময় তার বাবাকেও মারধর করা হয়। শনিবার বিকেলে বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে সদর উপজেলার বেড়ির মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার খন্দকারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিক খাদিজা খানমকে কয়েক বছর ধরে সাইদুর রহমান পরান উত্ত্যক্ত করে আসছে। সম্প্রতি তিনি ওই শিক্ষককে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় পরান ক্ষিপ্ত হয়ে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।

শনিবার স্কুল থেকে ফেরার পথে বাড়ির কাছাকাছি আসলে কয়েক সহযোগী নিয়ে পরান খাদিজার গতিরোধ করে তুলে নেয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করে রক্তাক্ত করা হয়। এ সময় বাবা সেকান্তর মিয়া মেয়েকে উদ্ধারে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্ত পরান পৌরসভার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলম নয়নের ছেলে।

এদিকে, পৃথক ঘটনায় তিন মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের চেষ্টাকালে দুই যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। সিএনজি অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলার টুমচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটকরা হলো- টুমচর গ্রামের মোক্তার ও রুবেল হোসেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, টুমচর দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির তিনছাত্রী সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় চালক ও মালিকসহ তিনজন ওই সিএনজিতে ছিল। তারা ছাত্রীদের গন্তব্যে না নামিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় এক ছাত্রী সিএনজি থেকে লাফিয়ে পড়ে চিৎকার দেয়। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে সিএনজিটিসহ দুই যুবককে আটক করে। এ সময় একজন পালিয়ে যায়। পরে টুমচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন লোলার সহযোগিতায় তাদের থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোসলেহ উদ্দিন বলেন, স্কুল শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ছাত্রীদের তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সিএনজিসহ দুইজনকে আটকের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অপরাধীরা কেউ ছাড় পাবে না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে